সাধুরীতি শব্দ কোনটি?
-
ক
গ্রহ
-
খ
কেতাব
-
গ
কলেজ
-
ঘ
গিন্নী
পূর্বে সাহিত্য রচনা ও লেখালেখির জন্য তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সম্পন্ন যে গুরুগম্ভীর ভাষারীতি ব্যবহৃত হতো, তাকেই সাধু ভাষা বলে। এই ভাষা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর, দুরূহ এবং এতে দীর্ঘ পদ ব্যবহৃত হয় বলে এই ভাষা কথা বলার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক না। তাই এই ভাষায় কথাও বলা হয় না। এই ভাষা কেবল লেখ্য রীতিতে ব্যবহারযোগ্য। তাও বহু আগেই লেখ্য রীতি হিসেবে চলিত রীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় সাধু রীতি এখন লেখ্য ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় না। কেবল সরকারি দলিল-দস্তাবেজ লেখা ও অন্যান্য কিছু দাপ্তরিক কাজে এখনো এই রীতি ব্যবহৃত হয়।
তৎসম শব্দের ব্যবহার: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বাহুল্য থাকে ।
দীর্ঘ পদ: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ হয় (যেমন: খাইতেছে, গিয়াছিল, উহাদের)।
ব্যাকরণ অনুসারী: সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলে।
গুরুগম্ভীর ও মার্জিত: এটি অত্যন্ত গম্ভীর ও কাব্যিক প্রকৃতির।
সাধু: তাহা হইলে তুমি কোথায় যাইবে?
চলিত: তাহলে তুমি কোথায় যাবে?
সাধু: আমি অদ্যই আসিব।
চলিত: আমি আজই আসব।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ বাংলা গদ্যের শুরুতে এই রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে লেখালেখিতে এর ব্যবহার কমে গেছে এবং চলিত রীতি বা প্রমিত রূপই (Standard Bengali) বেশি জনপ্রিয়।
Related Question
View Allসাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য বেশি দেখা যায় কোন কোন পদে ?
-
ক
সর্বনাম ও ক্রিয়া
-
খ
বিশেষ্য ও বিশেষণ
-
গ
বিশেষণ ও সর্বনাম
-
ঘ
অব্যয় ও ক্রিয়া
অনেকক্ষেত্রে বাগাড়স্বরশাসিত ভাষারুপ কোনটি?
-
ক
উপভাষা
-
খ
কথ্য ভাষা
-
গ
সাধু ভাষা
-
ঘ
চলিত ভাষা
সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্ন রূপে ব্যবহৃত হয়-
-
ক
অব্যয়
-
খ
সম্বোধন পদ
-
গ
ক্রিয়া
-
ঘ
সর্বনাম
বাংলা ভাষার কোন রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী?
-
ক
চলিত রীতি
-
খ
সাধু রীতি
-
গ
কথা রীতি
-
ঘ
লেখা রীতি
-
ঙ
কোনটিই নয়
কোনটি সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য?
-
ক
গুরু-গম্ভীর
-
খ
গুরুচণ্ডালী
-
গ
অবোধ্য
-
ঘ
দুর্বোধ্য
-
ঙ
কোনটিই নয়
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য হয়-
-
ক
বিশেষ্য ও বিশেষণে
-
খ
ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে
-
গ
প্রকৃতি ও প্রত্যয়ে
-
ঘ
সন্ধি ও উপসর্গে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!